কাতারের এলএনজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১৩
কাতারের রাস লাফান শিল্প নগরীতে এলএনজি কারখানায় বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৬৬ জন, যার মধ্যে বাংলাদেশি রয়েছেন। এই বিস্ফোরণ দুর্ঘটনা, কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রম নয় বলে জানিয়েছে কাতার সরকার।
কাতারের রাস লাফান শিল্প নগরীতে এলএনজি কারখানায় শক্তিশালী বিস্ফোরণে ১৩ জনের প্রাণ গেছে। আহত হয়েছেন ৬৬ জন, যার মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন। কতজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
রোববার সন্ধ্যায় রাস লাফানের বারজান গ্যাস সরবরাহ স্থাপনায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে এই কারখানার উৎপাদন বন্ধ ছিল। দুদিন আগে প্রথমবারের মতো এটি পুনরায় চালু করা হয়েছিল।
নিহতরা সবাই ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক বলে জানা গেছে। কাতার এনার্জি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে কারো অবস্থা গুরুতর বা আশঙ্কাজনক নয়।
কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল কাবি সোমবার বলেন, এটি একটি সাধারণ দুর্ঘটনা। কোনো নাশকতামূলক কার্যক্রমে এই বিস্ফোরণ হয়নি। ঘটনা তদন্তে অনুসন্ধান চলছে।
কাতার এনার্জি আরও জানিয়েছে, এই বিস্ফোরণে পরিবেশের কোনো ঝুঁকি নেই এবং রপ্তানি কার্যক্রমও ব্যাহত হয়নি।
রাজধানী দোহা থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত রাস লাফান শিল্প নগরী বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র। এটি বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় এক পঞ্চমাংশ উৎপাদন করে।
গত মার্চ মাসে কাতার সরকার জানিয়েছিল, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এই শিল্প কেন্দ্রটি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।