২১ দিনে ২০৮ কোটি ডলার রেমিটেন্স, অর্থবছরে ৩৬ বিলিয়নের সম্ভাবনা
চলতি অর্থবছরের জুন মাসের প্রথম ২১ দিনে প্রবাসীরা ২০৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪.৭ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের আশা, মাস শেষে রেমিটেন্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে এবং অর্থবছরে ৩৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি অর্থবছরের শেষ মাস জুনের প্রথম ২১ দিনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা ২০৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের জুনের একই সময়ের চেয়ে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মাসের বাকি নয় দিনে এই ধারা বজায় থাকলে জুন মাসে রেমিটেন্স ৩ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে পৌঁছাবে। আর অর্থবছর শেষে এই সংকটকালীন অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূচক ৩৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করছেন তিনি।
এ বছরের মার্চ মাসে প্রবাসীরা ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। এ নিয়ে টানা ৬ মাস ধরে তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স দেশে এসেছে। জুনে তিন বিলিয়ন ছাড়ালে টানা সাত মাস হবে।
গত ২৮ মে দেশে কোরবানির ঈদ উদযাপিত হয়। ওই উৎসব সামনে রেখে প্রবাসীরা বেশি টাকা পাঠানোয় মে মাসে বেশি রেমিটেন্স এসেছে বলে জানান আরিফ হোসেন খান। এছাড়া গত মার্চে রোজার ঈদের কারণে পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলার এসেছিল।
তিনি আরও বলেন, অতীতে ঈদের পর সাধারণত রেমিটেন্স প্রবাহ কমে যায়, কিন্তু এবার দুই ঈদের পরও প্রবাসী আয়ের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে।
রেমিটেন্সে প্রতি ডলারে এখন ১২৩ টাকা দিচ্ছে ব্যাংকগুলো। সে হিসাবে জুন মাসের ২১ দিনে প্রবাসীরা ২৫ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা দেশে পাঠিয়েছেন।
দেশের অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলোর মধ্যে এখন রেমিটেন্সই সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে এবং সংকটে পড়া অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে যাচ্ছে। সোমবার দিন শেষে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভে ছিল ৩১ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার।