সব সংবাদ
শিক্ষা

লক্ষ্মীপুরের স্কুল ছাত্রাবাসে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মরদেহ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রাবাস থেকে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নিহত মেহেদী অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার পিঠ ও গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। পুলিশ এ ঘটনায় এক শিক্ষক ও এক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে।

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রাবাস থেকে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ১৬ জুন বিকেলে স্কুলের আবাসিক হল থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তার পিঠ ও গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। নিহত মেহেদী রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর বাজার এলাকার ব্যবসায়ী জিয়া উদ্দিনের ছেলে। পরিবারের অভিযোগ, এক ছাত্রের ফোন চুরি যাওয়াকে কেন্দ্র করে মেহেদীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় গত ১৮ জুন তার বাবা বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় প্রতিষ্ঠানটির তৎকালীন অধ্যক্ষ খন্দকার আবদুল মান্নান ও সাতজন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০ জনকে আসামি করা হয়। পুলিশ গতকাল রোববার রামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শরীফুল ইসলাম ও শিক্ষার্থী সাজিদুলকে গ্রেপ্তার করে। শরীফুল ইসলাম ঘটনার সময় স্কুলটির হল সুপারের দায়িত্বে ছিলেন। তাদেরকে লক্ষ্মীপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা মেহেদীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেছিল এবং এ কারণে সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে। পুলিশ সুপার জানান, বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।