ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা: একমাত্র আসামিকে মৃত্যুদণ্ড
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে একমাত্র আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ঝিনাইদহ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ছালেহউজ্জামান সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আবু তাহের (৩৩) আদালতে উপস্থিত থেকে রায় শোনেন। এছাড়া মরদেহ গুম ও আলামত নষ্ট করার অপরাধে তাকে আরও ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মাত্র ৫ কার্যদিবসের মধ্যে এই মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কালীগঞ্জ উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামে ওই শিশুকে নির্যাতন করে তাহের। একপর্যায়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়। পরে তাহের মরদেহ একটি বস্তায় ভরে পাশের একটি বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখেন। পুলিশ পরে অভিযান চালিয়ে কুষ্টিয়া শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর তাহের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত কর্মকর্তা ও কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন গত ২৬ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গতকাল রোববার ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আকিদুল ইসলাম বলেন, আদালত দণ্ডপ্রাপ্তের সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন। ওই শিশুর বাবা বলেন, আদালতের রায়ে তারা খুশি এবং এখন দ্রুত এই দণ্ড কার্যকরের দাবি জানান।