সব সংবাদ
খেলা

বিশ্বকাপ: আর্জেন্টিনার নকআউটে কারা হতে পারে প্রতিপক্ষ?

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা গ্রুপ সেরা হলে নকআউটে কোন দলের মুখোমুখি হতে পারে, সেই সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। এইচ গ্রুপে স্পেন, উরুগুয়ে, কেপ ভার্দে ও সৌদি আরবের মধ্যে লড়াই চলমান।

বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। প্রথম ম্যাচে তিন পয়েন্ট অর্জন করে তারা নকআউট পর্বে যাওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছে। তবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের লক্ষ্য তো ফাইনালে পৌঁছানো। সেই লক্ষ্য পূরণে নকআউটে কোন প্রতিপক্ষ আসবে, সেটাও সমর্থকদের আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। প্রথমে দেখা যাক, আর্জেন্টিনা কীভাবে গ্রুপ সি থেকে শীর্ষ দল হিসেবে পরের পর্বে যেতে পারে। আজ অস্ট্রিয়া এবং পরের ম্যাচে জর্ডানকে হারাতে পারলে তারা সরাসরি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে। এমনকি কোনো একটি ম্যাচে পয়েন্ট হারালেও গ্রুপ সেরা হওয়া সম্ভব। সে ক্ষেত্রে আলজেরিয়া, জর্ডান ও অস্ট্রিয়ার ম্যাচগুলোর ফল প্রভাব ফেলতে পারে। আর্জেন্টিনা শীর্ষ দল হিসেবে পরের রাউন্ডে গেলে তাদের প্রতিপক্ষ হবে এইচ গ্রুপের দ্বিতীয় সেরা দল। এইচ গ্রুপে বর্তমানে দুই নম্বরে আছে উরুগুয়ে এবং শীর্ষে আছে স্পেন। উরুগুয়ে ও কেপ ভার্দে সমান ২ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে তিনে আছে কেপ ভার্দে। আর্জেন্টিনা যদি দুইয়ে থাকে এবং স্পেন যদি এইচ গ্রুপে শীর্ষে থাকে, তাহলে শেষ ১৬-এ আর্জেন্টিনা-স্পেন মুখোমুখি হবে। তবে মেসিরা যদি কোনো কারণে গ্রুপে তৃতীয় হন, তখন কী ঘটবে? সে ক্ষেত্রে গ্রুপ ডি, জি, এল, বি অথবা কে-এর চ্যাম্পিয়ন দলের মুখোমুখি হতে হবে তাদের। এইচ গ্রুপে ম্যাচ বাকি দুটি। ২৭ জুন স্পেন খেলবে উরুগুয়ের বিপক্ষে এবং সৌদি আরব খেলবে কেপ ভার্দের বিপক্ষে। বিভিন্ন সম্ভাবনার মধ্যে উরুগুয়ের জয় এবং কেপ ভার্দের ড্র বা হার হলে প্রতিপক্ষ হবে স্পেন। উরুগুয়ে ও কেপ ভার্দে উভয়েই জিতলে এই দুই দলের মধ্যে যার গোল ব্যবধান খারাপ হবে তারা হবে প্রতিপক্ষ। কেপ ভার্দে ৪ গোল বা তার কম ব্যবধানে জিতলে এবং উরুগুয়ে ড্র করলে প্রতিপক্ষ হবে কেপ ভার্দে। কেপ ভার্দে ৪ বা তার বেশি গোলের ব্যবধানে জিতলে এবং উরুগুয়ে ড্র করলে প্রতিপক্ষ হবে স্পেন। উরুগুয়ে না জিতে যদি সৌদি আরব জিতে যায় তবে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে সৌদি আরব। এবারের বিশ্বকাপ থেকে পয়েন্ট টেবিল নির্ধারিত হচ্ছে অলিম্পিক পদ্ধতিতে। যদি দুই বা ততোধিক দলের পয়েন্ট সমান হয়, তবে পর্যায়ক্রমে নিচের নিয়মগুলো অনুসরণ করা হবে: হেড-টু-হেড ম্যাচ, হেড-টু-হেড ম্যাচের গোল ব্যবধান, হেড-টু-হেড ম্যাচে করা গোলসংখ্যা, সামগ্রিক গোল ব্যবধান, গ্রুপে মোট করা গোলসংখ্যা, কম লাল কার্ড, কম হলুদ কার্ড এবং সবশেষে ফিফা র্যাঙ্কিং।