২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরছে নরওয়ে, সঙ্গে আনছে এক টনের বেশি ঐতিহ্যবাহী খাবার
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রে গেছে নরওয়ে। দলের খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক চাঙ্গা রাখতে তারা সঙ্গে নিয়ে গেছে এক টনেরও বেশি ঐতিহ্যবাহী নরওয়েজিয়ান খাবার। এর মধ্যে রয়েছে স্যামন, ব্রুনোস্ট, নরওয়েজিয়ান চিজ ও কমলা।
২৮ বছর বিরতির পর ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে নরওয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়া ও খাবারের ওপর পুরোপুরি ভরসা করতে রাজি নয় দলটি। তাই তারা নিজেদের ঐতিহ্যবাহী খাবারের বিরাট চালান পাঠিয়েছে সঙ্গে করে। মোট খাবারের ওজন এক টন বা এক হাজার কেজিরও বেশি। এর মধ্যে রয়েছে ৩০০ কেজি স্যামন মাছ, ১০০ কেজির বেশি ব্রুনোস্ট (ঐতিহ্যবাহী বাদামের পনির), ১১৬ কেজি নরওয়েজিয়ান চিজ এবং ৬ হাজার কমলা।
নরওয়ে দল যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার গ্রিঞ্জবারোয়ে ক্যাম্প করছে। যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র গরমে ফুটবলারদের ক্লান্তি দূর করতে, শরীরে পুষ্টির জোগান ঠিক রাখতে এবং ঘরের খাবারের চেনা স্বাদ দিয়ে মানসিকভাবে চনমনে রাখতেই এই ব্যবস্থা। খাবারদাবারের দায়িত্বে আছেন নরওয়ের পুরস্কারজয়ী শেফ অ্যারন এসপেল্যান্ড। তিনি আর্লিং হলান্ড ও মার্টিন ওডেগার্ডদের মতো তারকা খেলোয়াড়দের পুষ্টির দেখভাল করছেন।
এটি নরওয়ের জন্য নতুন নয়। ২০১৮ সালের অলিম্পিকেও তারা খাবার নিয়ে গিয়েছিল। সেবার তারা ভুল করে ১ হাজার ৫০০ ডিমের বদলে ১৫ হাজার ডিমের অর্ডার দিয়েছিল। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাও প্রায় ৯০০ কেজি গরুর মাংস সঙ্গে নিয়ে এসেছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে এটিকে মার্কিন খাবারের প্রতি অবিশ্বাস হিসেবে দেখলেও, দলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন এটি পুরোপুরি বৈজ্ঞানিক ও পারফরম্যান্সের কারণে।