সব সংবাদ
অন্যান্য

১০ হাজার কেজি ইলিশ জব্দের পর উধাও, তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

ভোলার মেঘনা নদী থেকে কোস্টগার্ড কর্তৃক জব্দ করা ১০ হাজার ১৪০ কেজি ইলিশ মাছ পরে উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় হাইকোর্ট বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ১০ ব্যবসায়ী ১ কোটি ১২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

ভোলার মেঘনা নদী থেকে কোস্টগার্ড কর্তৃক অবৈধভাবে জব্দ করা ১০ হাজার ১৪০ কেজি ইলিশ মাছ পরে উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ১২ মে ভোলার চরফ্যাশন থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে মেঘনা নদী থেকে এই মাছ জব্দ করে কোস্টগার্ড। জব্দকৃত মাছের আনুমানিক মূল্য ৯৪ লাখ টাকা।

এই ঘটনায় মো. কামাল হোসেনসহ ক্ষতিগ্রস্ত ১০ জন মাছ ব্যবসায়ী হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। শুনানি শেষে বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। এই কমিটিতে একজন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজকে প্রধান করা হবে এবং ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

আদালত আরও জানতে চেয়েছেন, কোন আদালতের নির্দেশ ছাড়া ওই বিপুল পরিমাণ ইলিশ জব্দ ও পরে তা গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা। স্বরাষ্ট্রসচিব, কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক এবং মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রিটকারী ব্যবসায়ীদের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া ও মো. মনিরুল ইসলাম মিয়া শুনানি করেন। তারা জানান, মাছ পরিবহনের বৈধ অনুমোদন থাকার পরও কোস্টগার্ড মাছ জব্দ করে। জব্দের সময় কোস্টগার্ড কোনো তালিকা তৈরি করেনি এবং পরে কোনো আদালতের নির্দেশ ছাড়াই মাছের চালানটি গায়েব করে দেওয়া হয়।

ব্যবসায়ীরা এই পদক্ষেপকে বেআইনি ও খামখেয়ালী বলে দাবি করেছেন। তারা মাছের মূল্যের সঙ্গে ২০ শতাংশ সুদসহ মোট ১ কোটি ১২ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪০ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।