সব সংবাদ
খেলা

ফ্রান্স বনাম ইরাক: শিরোপার দাবিদার ও ফিরে আসা যোদ্ধার লড়াই

বিশ্বকাপে ফ্রান্স ও ইরাকের প্রথম সাক্ষাৎ। ১৯৯৮ ও ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স প্রথম ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে। অন্যদিকে ৪০ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফিরে আসা ইরাক প্রথম ম্যাচে নরওয়ের কাছে ৪-১ গোলে হেরেছে।

ফ্রান্স মাঠে নামছে আত্মবিশ্বাসী, শক্তিশালী এবং বড় টুর্নামেন্ট জেতা এক দল হিসেবে। বিশ্বকাপ ইতিহাসে ফ্রান্সের যাত্রা গৌরবময়। ১৯৯৮ সালে নিজেদের মাটিতে প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের পর ২০১৮ সালে আবারও শিরোপা জিতে তারা আধুনিক ফুটবলের অন্যতম শক্তিধর দেশে পরিণত হয়। ২০০৬ ও ২০২২ সালে রানার্সআপ হওয়ার স্মৃতিও এখনও তাদের মনে আছে।

ফরাসি দলটির সামনে আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। যার গতি একাই ম্যাচের চেহারা বদলে দিতে পারে। পাশে উসমান দেম্বেলে, মাইকেল অলিসে। মাঝমাঠে আদ্রিয়েন রাবিও ছন্দ তৈরি করেন। চলতি বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে ৩-১ গোলে হারিয়েছে সেনেগালকে। ম্যাচে দুই গোল করেন এমবাপ্পে, আর একটি গোল আসে ব্র্যাডলি বারকোলার কাছ থেকে।

ইরাকের গল্প একেবারেই আলাদা। বিশ্বকাপ ইতিহাসে ইরাকের নাম খুব বড় নয়, আবেগে অনেক বড়। ১৯৮৬ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলেছিল তারা। সেই আসরে তিন ম্যাচই হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল। তারপর কেটে গেছে দীর্ঘ চার দশক। যুদ্ধ, অস্থিরতা, প্রজন্ম বদল সবকিছুর পর ২০২৬ সালে আবার বিশ্বমঞ্চে ফিরে এসেছে তারা।

প্রথম ম্যাচে ইরাক মুখোমুখি হয়েছিল নরওয়ের। ফল ছিল ৪-১ ব্যবধানে হার। নরওয়ের হয়ে দুই গোল করেন আর্লিং হালান্ড, পরে লিও ওস্টিগার্ড ও শেষদিকে আরেকটি গোল ব্যবধান বাড়ায়। ইরাকের হয়ে গোল করেন আইমেন হুসেইন। অভিজ্ঞতার কাছে শেষ পর্যন্ত হার মানে তারা। এখন তাদের পয়েন্ট শূন্য।

ফ্রান্স ও ইরাক আগে কখনো বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়নি। বড় টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এটিই তাদের প্রথম সাক্ষাৎ। কৌশলগতভাবে ম্যাচটি হতে পারে বল দখল বনাম ধৈর্যের যুদ্ধ। ফ্রান্স চাইবে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরাককে নিজেদের অর্ধে আটকে ফেলতে। অন্যদিকে ইরাক অপেক্ষা করবে সেই একটি সুযোগের জন্য।

মূল প্রতিবেদন (Reference): নীল আগুন বনাম মরুভূমির জেদ — Jugantor