অস্ট্রিয়ার 'গেগেনপ্রেসিং' কৌশল মোকাবেলায় আর্জেন্টিনার ৪ কৌশল
আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়া ম্যাচে মূল লড়াই হবে কৌশলে। অস্ট্রিয়া 'গেগেনপ্রেসিং' পদ্ধতিতে প্রতিপক্ষের উপর চাপ দিয়ে বল কেড়ে নিতে চায়। এর বিপরীতে আর্জেন্টিনা ছোট ছোট পাসে বল ধরে রেখে প্রতিপক্ষকে সামনে টানে আনে এবং ৪টি কৌশলে ম্যাচ সামলাতে চায়।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আজকের ম্যাচটি কৌশলের দিক থেকে বেশ আকর্ষণীয় হতে চলেছে। অস্ট্রিয়া তাদের 'গেগেনপ্রেসিং' কৌশল নিয়ে মাঠে নামবে, যেখানে প্রতিপক্ষের উপর ক্রমাগত চাপ দিয়ে বল দখল করাই তাদের মূল অস্ত্র।
তবে আর্জেন্টিনার কাছে এই চাপ মোকাবেলার নিজস্ব পরিকল্পনা আছে। স্কালোনির দল 'রিলেশনাল-পজিশনাল' পদ্ধতিতে খেলে থাকে। এর সারমর্ম হলো, লম্বা পাস এড়িয়ে ছোট ছোট পাসে বল নিয়ন্ত্রণে রাখা। এতে অস্ট্রিয়ার ডিফেন্ডাররা সামনে এগিয়ে আসে এবং পেছনে ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়। সেই শূন্যস্থানই আর্জেন্টিনা কাজে লাগায়।
এই কৌশল সফল হতে ৪টি বিষয় মাথায় রাখতে হবে আর্জেন্টিনাকে:
প্রথমত, মাঝমাঠে দ্রুত গতিতে পাসিং। রদ্রিগো দে পল, এনজো ফার্নান্দেজ ও আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার এই কাজটি সম্পন্ন করেন। অস্ট্রিয়া প্রেস করলেই তারা একটি টাচে বল সরিয়ে নিতে পারেন, ফলে প্রতিপক্ষের ফাঁদে পড়ার সুযোগ থাকে না।
দ্বিতীয়ত, লং পাসে প্রেস বাইপাস করা। অস্ট্রিয়ার গেগেনপ্রেস সামনের দিকে বেশি থাকায় মাঝমাঠে ফাঁক তৈরি হয়। সেই মুহূর্তে দ্রুত লং পাস দিয়ে আক্রমণভাগে বল পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়।
তৃতীয়ত, রক্ষণভাগে শৃঙ্খলা বজায় রাখা। অস্ট্রিয়া বল হারালেই দ্রুত পাল্টা আক্রমণে চলে যায়। এই ঝুঁকি এড়াতে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডারদের নিজেদের অবস্থানে থাকতে হবে।
চতুর্থত, মেসির জন্য জায়গা তৈরি করে দেওয়া। আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ ক্রমাগত অবস্থান বদলায়, যাতে অস্ট্রিয়ার রক্ষণদেয় ভেঙে যায়। ফাঁক তৈরি হলেই মেসি সেখানে ঢুকে পড়েন এবং গোলের সুযোগ নেন।
সব মিলিয়ে, অস্ট্রিয়ার শারীরিক ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের বিপরীতে আর্জেন্টিনার অস্ত্র হবে কৌশল, শান্তি ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সামর্থ্য।