সব সংবাদ
জাতীয়

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় কৃষক সম্মেলনে ১০০ কৃষকের অংশগ্রহণ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় অনুষ্ঠিত ‘পার্টনার কংগ্রেস’ কৃষক সম্মেলনে ১০০ জন কৃষাণ-কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন। প্রধান অতিথি আলমগীর বিশ্বাস চুয়াডাঙ্গার ফল উৎপাদনের প্রশংসা করেন এবং রাসায়নিক সারের ব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক করেন।

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ‘পার্টনার কংগ্রেস’ নামক কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (২২ জুন) বেলা ১১টায় দামুড়হুদা উপজেলা অডিটোরিয়াম মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে এবং দামুড়হুদা উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ কুমার বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক আলমগীর বিশ্বাস। অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর অঞ্চলের পার্টনার প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার শেখ সাজ্জাদ হোসেন, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) মিঠু চন্দ্র অধিকারী, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন আলম, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু এবং উপজেলা জামায়াতের আমীর নায়েব আলী। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, কৃষি সমৃদ্ধশালী চুয়াডাঙ্গায় কৃষিতে প্রাচুর্যতা আছে। এ অঞ্চলে যে পরিমাণ ফল উৎপাদন হয়, বিশেষ করে বিদেশী ফল খ্যাত কমলা, আঙুর, মাল্টা ও ড্রাগন- এগুলো আগে উন্নতমানের বড় দোকানগুলোতে বিক্রি হতো। কিন্তু এখন চুয়াডাঙ্গার উৎপাদিত এসব ফল সাধারণ রিকশাভ্যানেও বিক্রি হতে দেখা যায়, যা এ অঞ্চলের কৃষির জন্য একটি দারুণ ইতিবাচক দিক। তবে রাসায়নিক সার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, জমিতে অতিরিক্ত সার প্রয়োগ করে জমির উর্বরা শক্তি যেন হারিয়ে না যায়, সে ব্যাপারে কৃষকদের বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে। উপজেলার কৃষি খাতের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই পার্টনার কংগ্রেসে স্থানীয় অঞ্চলের ১০০ জন নির্বাচিত কৃষাণ-কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন।