সব সংবাদ
রাজনীতি

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে বাধা দেওয়ার জেরে রাউজানে যুবদল নেতার গুলিতে হত্যা

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় র্যাব একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ভিকটিম স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তাকে নির্বাচন করতে বাধা দেওয়ার জন্যই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে র্যাব জানিয়েছে।

র্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গত ১৩ জুন দুপুরে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে ওষুধ কিনতে গেলে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে (৪৫) গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। ভিকটিম বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের জন্য দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তাকে যাতে নির্বাচন করতে না পারে সেজন্যই এই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে র্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যাতে দেখা যায় অস্ত্রধারীরা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ঘটনাস্থলে আসে। তারা যুবদল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তিনি মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরেও অস্ত্রধারীদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তি তাকে গুলি করে। এসময় তিনজনের হাতে পিস্তল এবং দুইজনের হাতে লম্বা আগ্নেয়াস্ত্র দেখা গেছে। র্যাব গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুপছড়ি এলাকা থেকে মো. আইয়ুব আলী (৪৫) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে। সে হত্যাকাণ্ডের মামলার ৯ নম্বর আসামি এবং তার বিরুদ্ধে দুইটি হত্যা, অস্ত্র, ডাকাতিসহ পাঁচটি মামলা আছে। মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে চট্টগ্রামের জোড়াখুনসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রায়হানকে, যিনি বড় সাজ্জাদের অনুসারী বলে পরিচিত। নিহতের বড় ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান পিয়ারুল হক চৌধুরী ১৬ জুন রাঙ্গুনিয়া থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও সাত থেকে আট জনকে আসামি করে মামলা করেন।