ইরানের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ, তিজুয়ানাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয়েছে ইরান। তবে টুর্নামেন্ট শেষে মেক্সিকোর তিজুয়ানার মানুষের আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে দলটি। তিজুয়ানাকে তাদের দ্বিতীয় বাড়ি ও দ্বিতীয় দল হিসেবে ঘোষণা করেছে ইরান।
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে ইরানকে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দলের অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে প্রকাশিত এক বার্তায় ইরান জানায়, রাজনৈতিক কারণে বিশ্বকাপজুড়ে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলেও তিজুয়ানার মানুষের আন্তরিকতা তারা কখনও ভুলবে না। বার্তায় বলা হয়, 'প্রকৃত আতিথেয়তা মানে সম্মান, মানবিকতা ও মর্যাদা। তিজুয়ানার মানুষের আন্তরিকতা আমরা কখনও ভুলব না। আজ থেকে মেক্সিকো শুধু আমাদের স্বাগতিক দেশ নয়, এটি আমাদের দ্বিতীয় বাড়ি এবং দ্বিতীয় দল।' মূলত তেহরান ও ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার টাকসনে বেস ক্যাম্প করার পরিকল্পনা বাতিল করতে বাধ্য হয় ইরান। পরে দলটি মেক্সিকোর তিজুয়ানায় নিজেদের ক্যাম্প স্থাপন করে। এ ছাড়া নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধের কারণে প্রতিটি ম্যাচের মাত্র এক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেয়েছিল ইরানি দল। পরে কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হলে শেষ গ্রুপ ম্যাচের আগে দুই দিন আগে সিয়াটলে যাওয়ার অনুমতি মিললেও ম্যাচ শেষে আবার তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হয় তাদের। টুর্নামেন্টের শুরুতেও লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফাই স্টেডিয়ামে নিজেদের ড্রেসিংরুমে একটি ধন্যবাদবার্তা রেখে গিয়েছিল ইরান। তবে পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই আয়োজকদের ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন প্রধান কোচ আমির গালেনোয়ি ও অধিনায়ক মেহদি তারেমি। তাদের অভিযোগ ছিল, অন্য দলগুলোর মতো সমান সুবিধা পায়নি ইরান। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে ইনজুরি সময়ে ইরানের একটি গোল অল্পের জন্য অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। গোলটি স্বীকৃতি পেলে শেষ ৩২-এ খেলার সুযোগ পেত ইরান।