সব সংবাদ
রাজনীতি

পীর শামীম হত্যা: জামায়াতের রোকনসহ ২ আসামি কারাগারে

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দরবার শরিফে হামলা চালিয়ে পীর আবদুর রহমান শামীমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার মামলার প্রধান আসামিসহ ২ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। তারা হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দরবার শরিফে হামলা চালিয়ে পীর আবদুর রহমান শামীমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামিসহ ২ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। তারা হলেন—প্রধান আসামি কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের রোকন খাজা আহমেদ এবং খেলাফত মজলিসের দৌলতপুর উপজেলা সভাপতি আসাদুজ্জামান। আজ মঙ্গলবার দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এনায়েত কবির তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পুলিশের পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত ১১ এপ্রিল দুপুরে দৌলতপুরের ফিলিপনগরে দরবার শরিফে পীর আবদুর রহমান শামীমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় দরবার শরিফে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনায় ১৩ এপ্রিল নিহতের ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় খাজা আহম্মেদ, আসাদুজ্জামান, স্থানীয় জামায়াত কর্মী রাজিব মিস্ত্রি, ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. শিহাবের নাম উল্লেখ করে এবং ১৮০-২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। খাজা আহমেদ ও আসাদুজ্জামান হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের অর্ন্তবর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। জামিনের শেষ দিন মঙ্গলবার নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন আবেদন করেন তারা। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, প্রথম হামলায় প্রায় ৭০-৮০ জন অংশ নেন। ভাঙচুরে সরাসরি অংশ নেন ৭-৮ জন। পরে দ্বিতীয় দফায় স্থানীয় একটি মাদ্রাসার কয়েকশ শিক্ষার্থী হামলায় যোগ দেয়।