রোমারিওর চোখে ব্রাজিলের জয়: জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোমারিও জাপানের বিপক্ষে দলের পারফরম্যান্সকে ১০-এর মধ্যে ৮ দিয়েছেন। তিনি মনে করছেন, পিছিয়ে পড়েও ম্যাচে ফেরা এবং শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেওয়া দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলাফল। আগামী রাউন্ডে নরওয়ে বা আইভরিকোস্টের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল।
জাপানের বিপক্ষে এক গোলে পিছিয়ে থাকার পরও দারুণভাবে ম্যাচে ফেরা এবং শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার যে রোমাঞ্চ সেলেসাওরা দেখিয়েছেন, তা ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোমারিওকেও মুগ্ধ করেছে। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা 'ও গ্লোবো'তে লেখা এক কলামে পুরো ম্যাচের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করেছেন এবং ব্রাজিলের ফুটবল নিয়ে আশার কথাও শুনিয়েছেন।
রোমারিও লিখেছেন, জাপানের মতো কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাদের পারফরম্যান্সকে তিনি ১০-এর মধ্যে ৮ দেবেন। তিনি আগেও বলেছিলেন, ব্রাজিলের দল ধীরে ধীরে উন্নতি করছে এবং বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পিছিয়ে পড়ার পরও ম্যাচে ফিরে যোগ করা সময়ে জয় তুলে নেওয়াটা ভক্তদের হৃদস্পন্দনের পরীক্ষা নিয়ে নিয়েছিল বলে মনে করছেন এই কিংবদন্তি।
তবে শুরুটা ব্রাজিলের মোটেও ভালো হয়নি বলে স্বীকার করেছেন রোমারিও। প্রথমার্ধে বলের দখল বেশি থাকলেও প্রতিপক্ষকে কার্যকরভাবে চাপে ফেলতে পারেনি দল। ধীরে ধীরে খেলায় উন্নতি দেখা গেছে। কাসেমিরোর গোলে সমতা ফেরার পর মার্তিনেল্লি এনে দেন জয়সূচক গোল। তবে রোমারিও কাউকেই আলাদা করে কৃতিত্ব দিতে রাজি নন। তাঁর মতে, এই ম্যাচের আসল নায়ক কোনো একক খেলোয়াড় নন, বরং পুরো দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা।
দলের এমন জয়ে কোচ কার্লো আনচেলত্তির গলায়ও প্রশংসার মালা পরিয়েছেন এই কিংবদন্তি। বদলি খেলোয়াড় নামানোর সিদ্ধান্তগুলো ছিল দারুণ কার্যকর। মার্তিনেল্লি ঠিক সময়ে ঠিক জায়গায় ছিলেন।
শেষ ষোলোর লড়াইয়ে এবার নরওয়ে কিংবা আইভরিকোস্টের মুখোমুখি হতে হবে ব্রাজিলকে। রোমারিও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সামনে আরও কঠিন লড়াইই অপেক্ষা করছে। তবে দলের ওপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে এবং তিনি বিশ্বাসী যে ব্রাজিল ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপার পথে এগিয়ে যেতে পুরোপুরি সক্ষম।