সব সংবাদ
অন্যান্য

চাচার হাতে ভাতিজার মৃত্যু: মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ ও হত্যার শাস্তি

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মুক্তিপণের দাবিতে ভাতিজাকে অপহরণ করে হত্যা এবং লাশ গুমের ঘটনায় চাচা নুরনবীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে অপহরণের দায়ে ১৫ বছর এবং লাশ গুমের দায়ে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং মোট ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে একটি নৃশংস ঘটনার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর মুক্তিপণের দাবিতে গোপালপুর উপজেলার নাসির উদ্দিনের নাতি কেএম রাহেনুল ইসলাম আরাফকে তার চাচা নুরনবী কয়েকজনের সহযোগিতায় অপহরণ করেন। এই ঘটনায় ১১ অক্টোবর আরাফের দাদা নাসির উদ্দিন গোপালপুর থানায় মামলা করেন। পরদিনই গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে আরাফের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে গোপালপুর থানার এসআই মামুন ভূঞা নুরনবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন ২০২৬) দুপুরে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এ রায় ঘোষণা করেন। এই রায়ে নুরনবীকে মৃত্যুদণ্ড, অপহরণের দায়ে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা এবং লাশ গুমের দায়ে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত নুরনবী গোপালপুর উপজেলার নবধূলটিয়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে এবং রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।