বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ২০০৮ সালের পর সবচেয়ে বড় মাসিক হ্রাসের আশঙ্কা
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম গত এক মাসে ১২.৭ শতাংশ কমেছে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমে আসা এবং যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার আরও বাড়ানোর প্রত্যাশায় স্বর্ণের দামে এই পতন হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসা এবং যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার আরও বাড়তে পারে—এমন প্রত্যাশার প্রভাব সরাসরি স্বর্ণের বাজারে পড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ১ শতাংশেরও বেশি কমেছে এবং এটি ২০০৮ সালের অক্টোবরের পর সবচেয়ে বড় মাসিক পতনের দিকে যাচ্ছে। গত ৩০ জুন বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম ১.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৩,৯৫৬.৯২ ডলারে নেমে এসেছে। চলতি মাসে এ পর্যন্ত স্বর্ণের দাম কমেছে ১২.৭ শতাংশ, যা টানা চতুর্থ মাসের পতন হতে যাচ্ছে। আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারের দামও ১.৭ শতাংশ কমে ৩,৯৬৯.৩০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এটি ২০২৪ সালের পর প্রথম ত্রৈমাসিক পতন এবং ২০১৩ সালের জুনের পর সবচেয়ে বড় ত্রৈমাসিক দরপতন হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সুদের হার বাড়ার প্রত্যাশা এবং শক্তিশালী ডলার—এই তিনটি বিষয় স্বর্ণের দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। স্বর্ণকে সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হয়, কিন্তু সুদের হার বেশি থাকলে সুদবিহীন এই ধাতুর আকর্ষণ কমে যায়। অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও দরপতন হয়েছে—সিলভার ২ শতাংশ, প্লাটিনাম ১.১ শতাংশ এবং প্যালাডিয়াম ০.৪ শতাংশ কমেছে।