১৪ বছরের কেয়ারটেকারের পাওনা টাকা আদায়ে ডিসির হস্তক্ষেপ চান ভুক্তভোগী
সিভিল এভিয়েশন ফায়ার সার্ভিসের এক অপারেটরের বিরুদ্ধে ১৪ বছরের কেয়ারটেকারের পাওনা টাকা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী উত্তরা বিভাগের ডিসির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
১৪ বছর ধরে কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করার পরও পাওনা টাকা না পেয়ে বিপদে পড়েছেন মো. নওয়াব আলী খান। তিনি অভিযোগ করেছেন, সিভিল এভিয়েশন ফায়ার সার্ভিসের অপারেটর গাজী তোফায়েল তাঁর পাওনা কয়েক লাখ টাকা দিতে অস্বীকার করেছেন। এমনকি হুমকি ও মারধরের শিকার হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। নওয়াব আলী খানের দাবি, ২০১২ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ১৪ বছর ধরে বিবাদীর উত্তরখান মুন্ডার ৫ কাঠা প্লট, দক্ষিণখানের ৩টি প্লট ও ৫ তলা বাড়ি এবং গাজীপুরের ১ বিঘা জমি কেয়ারটেকার হিসেবে দেখাশোনা করেছেন। মাসিক ১০ হাজার টাকা বেতন ও ১ কাঠা জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে কাজ শুরু করেন তিনি। ১৪ বছরের বেতন হিসেবে ১৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা পাওনা ছিল বলে জানান ভুক্তভোগী। পরে উত্তরখান থানায় সালিশ-মীমাংসায় বিবাদী ৪ লাখ টাকা দিতে সম্মত হন। কিন্তু সম্প্রতি বিবাদী মুন্ডার প্লটটি অন্যের কাছে বিক্রি করে দিয়ে তাঁর ব্যবহৃত খাট, বিছানাপত্রসহ মালামাল রাস্তায় ফেলে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় ১৬ মে ২০২৬ তারিখে উত্তরখান থানায় জিডি করেন তিনি। জিডি নং ৯১৬। নওয়াব আলী বলেন, এখন পাওনা টাকা চাইলে দেবেন না বলে জানান এবং বিভিন্ন মামলা করার হুমকি দেন। তিনি উপ-পুলিশ কমিশনার উত্তরা বিভাগের কাছে সঠিক তদন্তপূর্বক ন্যায়বিচার ও পাওনা টাকা আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মানবিক বিবেচনায় ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।