বিশ্বকাপের সবচেয়ে বেশি দর্শকের তিন ম্যাচ কোনগুলো জানেন?
যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত চলতি বিশ্বকাপে নতুন দর্শক রেকর্ড হয়েছে। গ্রুপ পর্বে মোট ৪৪ লাখ ৪৪ হাজার ৫৪৯ জন দর্শক স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন। সবচেয়ে বেশি দর্শকের ম্যাচ তিনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে মেক্সিকোর এস্তাদিও আজতেকায়।
যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ায় দর্শকের রেকর্ড যেন অবধারিত। ১৯৯৪ সালের পর এবারও তা–ই। ২৫ জুন একক কোনো বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ মোট দর্শক উপস্থিতির পুরোনো রেকর্ড ভেঙে গেছে। ওই দিন পর্যন্ত স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকের সংখ্যা ছিল ৩৬ লাখ ৫ হাজার ৩৫৭ জন। এর আগে ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫৩৮ জন দর্শক উপস্থিতির রেকর্ড হয়েছিল। কাকতালীয়ভাবে ৩২ বছর আগের সেই বিশ্বকাপটিও যুক্তরাষ্ট্রেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোতে মোট ৪৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫৪৯ জন মানুষ স্টেডিয়ামে হাজির হয়েছেন। গড়ে স্টেডিয়ামগুলোর ৯৯.৭ শতাংশ আসন পূর্ণ ছিল দর্শকে। গ্রুপ পর্বে গড়ে প্রতি ম্যাচে মাঠে উপস্থিত ছিলেন ৬৪ হাজার ৫০৮ জন দর্শক। বিশ্বের ২১০টি দেশ থেকে আসা সমর্থকেরা গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো সরাসরি মাঠে বসে উপভোগ করেছেন।
২৫ জুন বিশ্বকাপের ইতিহাসে একক কোনো দিনে সর্বোচ্চ দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড হয়েছে। ওই এক দিনেই বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো উপভোগ করেছেন ৪ লাখ ২৬ হাজার ৮৩৪ জন দর্শক। এখন পর্যন্ত আটটি ভিন্ন ম্যাচে স্টেডিয়ামে দর্শক উপস্থিতির সংখ্যা ৮০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
দর্শক উপস্থিতিতে শীর্ষে তিনটি ম্যাচ। সেই তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হয়েছে মেক্সিকোর এস্তাদিও আজতেকায়। লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় এই স্টেডিয়ামে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা (উদ্বোধনী ম্যাচ), উজবেকিস্তান-কলম্বিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র-মেক্সিকো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটিতে দর্শক উপস্থিতি রেকর্ড ৮০ হাজার ৮২৪ জন।
এক ধাপ পেছনে আছে নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ব্রাজিল বনাম মরক্কো ম্যাচ। ৮০ হাজার ৬৬৩ জন দর্শক গ্যালারিতে বসে দেখেন এই ম্যাচ।
সবচেয়ে কম দর্শকের ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছে টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে। ঘানা ও পানামার মধ্যে ম্যাচটিতে দর্শক উপস্থিতি ছিল ৪২ হাজার ৯৪২ জন। এই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতাই মাত্র ৪৩ হাজার।