সব সংবাদ
খেলা

ব্রাজিল–জাপান ম্যাচ: বাংলাদেশের ফুটবলভক্তদের হৃদয়ের দ্বন্দ্ব

হিউস্টনে অনুষ্ঠিত ব্রাজিল-জাপান শেষ ষোলোর ম্যাচ নিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলভক্তদের মনে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। জিকোর মাধ্যমে দুই দেশের সংযোগ এই ম্যাচকে আরও বিশেষ করেছে।

ব্রাজিল-জাপান ম্যাচের ভেন্যু হিউস্টন। শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১১টায়। এই ম্যাচে বাংলাদেশের ফুটবলভক্তদের একটু হৃদয়ঘটিত সমস্যায় পড়ার ঝুঁকি আছে।

বাংলাদেশে ব্রাজিলের সমর্থক কম নেই। তবে জাপানের আবেদনও সর্বজনীন। এশিয়ান ভূখণ্ড থেকে বিশ্বকাপে নকআউটে ওঠা একমাত্র দল জাপান। জাপানের খেলার ধাঁচও অনেকের পছন্দের। কেউ কেউ ব্রাজিলিয়ান সৌরভ খুঁজে পান।

এই দ্বন্দ্বের সমাধান দিয়েছেন এক ব্রাজিলিয়ানই—জিকো। তিনি ব্রাজিলের 'সাদা পেলে' এবং জাপানের ফুটবলে 'ঈশ্বরতুল্য'। তাঁর নাম আর্থার আনতুনেস কইম্ব্রা। তিনি দুনিয়াব্যাপী পরিচিত জিকো নামে।

১৯৮৯ সালে ফ্ল্যামেঙ্গো ছাড়ার পর জিকো জাপানের কাশিমা অ্যান্টলার্সের হয়ে খেলতে যান। ১৯৯১ সালে তাঁর দিকনির্দেশনায় জে-লিগ যাত্রা শুরু করে। জাপানের শহর কাশিমায় জিকোর দুটি ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য আছে।

১৪ বারের মুখোমুখিতে ব্রাজিলের ১১ জয়, ২ ড্র এবং সর্বশেষ হার গত বছর অক্টোবরে। সেই প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিল ২-০ গোলে এগিয়ে গিয়েও হেরেছিল ৩-২ গোলে। ২০০৬ বিশ্বকাপে জিকো তখন জাপানের কোচ, তাঁর সামনে জাপানকে ৪-১ গোলে হারিয়েছিলেন রোনালদিনিও, রোনালদোরা।

১৯৯৬ আটলান্টা অলিম্পিকের ফুটবল ইভেন্টে জাপান ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল। সেই জয় 'মায়ামির অলৌকিক ঘটনা' নামে পরিচিত।

ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তি একই একাদশ খেলাতে পারেন বলে মনে করেন জিকো। জাপানের কোচ হাজিমো মোরিয়াসু বলেছেন, 'ব্রাজিল বিশ্বের অন্যতম সেরা দল, আমরা তাদের সম্মান করি। তবে ম্যাচে কী ঘটবে, তা আগে থেকে কেউ বলতে পারে না।'

নেইমারের পছন্দের দল জাপান। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে জাপানের বিপক্ষে তাঁর গোল (৯) সবচেয়ে বেশি।