সব সংবাদ
খেলা

বিশ্বকাপের আগে আবেগাপ্লুত ভিনিসিয়ুস, দাদীর স্মৃতিতে কাঁদলেন তারকা

বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। দাদী ডোনা নিলজার পাঠানো বার্তা শুনে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি এই তারকা।

বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে জাপানের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে নামছে ব্রাজিল। একবার পা পিছলালেই বিদায়—এমন চাপের ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাসী থাকার কথা বললেও আবেগায় পড়ে গেছেন দলের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

বিশ্বকাপে দারুণ ছন্দে আছেন এই স্ট্রাইকার। তিন ম্যাচে চার গোল করার পাশাপাশি দলকে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জেতাতে মরিয়া এ তারকা। সেই বিশ্বকাপ তিনি উৎসর্গ করতে চান নিজের দাদী ডোনা নিলজাকে।

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে 'ডোমিঙ্গাঁও কোম হাক' অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন ভিনিসিয়ুস। সাক্ষাৎকারে নিজের দাদী সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। ম্যাচের পর দাদী পাঠানো বার্তা শুনে লুসিয়ানো হাকের পাশে বসেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি ভিনি।

১৬ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি দাদীর সঙ্গেই থাকতেন। ভিনি জানান, 'তিনি আমার জীবনের সবচেয়ে বিশেষ মানুষদের একজন। বাবা সব সময় দূরে থাকতেন, তাই মা, ভাইবোন আর দাদীর সঙ্গেই বড় হয়েছি। আমার স্বপ্ন পূরণের জন্য তারা সবকিছু করেছেন। আজ তাকে হাসিখুশি দেখতে পাওয়ার চেয়ে মূল্যবান কিছু নেই।'

২০০২ সালে ব্রাজিলের সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয়ের সময় ভিনি ছিলেন শিশু। আগামী ১২ জুলাই তার ২৬তম জন্মদিন, আর বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে এর সাত দিন পর।

ভিনি আরও বলেন, 'এটি এমন একটি প্রজন্ম যারা ব্রাজিলকে আবার বিশ্বের শীর্ষে ফিরিয়ে নিতে কঠোর পরিশ্রম করছে। ষষ্ঠ তারকাটি আসতে অনেক দেরি হয়ে গেছে। আনচেলত্তি আমাদের স্বাধীনতা, আত্মবিশ্বাস এবং আশা দিয়েছেন। আমার বয়স মাত্র ২৫; কিন্তু আমাদের দলে এনদ্রিক, রায়ানের মতো দারুণ প্রতিভাবান তরুণরাও উঠে আসছে।'

মাঠের ভেতর-বাইরে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াই নিয়েও কথা বলেন ভিনি। তার উদ্যোগে প্রণীত 'ভিনি জুনিয়র আইন' অনুযায়ী, বর্ণবাদী অঙ্গভঙ্গি করলে খেলোয়াড়দের মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে। ভিনির ভাষায়, 'মাঠের বাইরের এই অর্জনগুলো আমার কাছে মাঠের সাফল্যের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। পরিবর্তন ধীরে হলেও হচ্ছে, আর আমি চাই পরবর্তী প্রজন্ম যেন এই কষ্টের মুখোমুখি না হয়।'