নাটকীয় ড্রয়ে অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়া নকআউটে, বিদায় ইরানের
বিশ্বকাপের গ্রুপ 'জে'-এর শেষ ম্যাচে অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়ার মধ্যে রোমাঞ্চকর ৩-৩ ড্র হয়। শেষ মুহূর্তে অস্ট্রিয়ার সমতাসূচক গোলে ইরানের নকআউটে যাওয়ার স্বপ্ন ভেঙে যায়। অস্ট্রিয়া ১৯৮২ সালের পর প্রথমবার নকআউটে উঠল।
বিশ্বকাপের গ্রুপ 'জে'-এর শেষ পর্বের ম্যাচে অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়ার মধ্যে এক অবিস্মরণীয় ড্র হয়েছে। ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ৩-৩ গোলে সমতায় শেষ হয়, যা দুই দলের জন্যই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে। তবে এই ড্রয়ের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে ইরানের।
ম্যাচের শেষ দিকে ২-২ সমতায় থাকাকালীন অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে আলজেরিয়ার রিয়াদ মাহারেজ তাদের তৃতীয় গোল করে ৩-২ এগিয়ে দেন। সেই গোলে মনে হচ্ছিল অস্ট্রিয়া বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিচ্ছে। কিন্তু নাটক এখানেই শেষ হয়নি। ম্যাচের একেবারে শেষ আক্রমণে অস্ট্রিয়ার সাসা কালাইদজিচ হেডে গোল করে সমতা ফিরিয়ে আনেন। এই শেষ মুহূর্তের গোলে অস্ট্রিয়ার বিশ্বকাপ স্বপ্ন টিকে যায়।
অস্ট্রিয়ার হয়ে মার্কো আরনাউটোভিচ ও মার্সেল সাবিৎজারও গোল করেন। গ্রুপে আর্জেন্টিনার পর দ্বিতীয় হয়ে ১৯৮২ সালের পর প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে উঠল তারা। শেষ ষোলোতে তাদের প্রতিপক্ষ হবে স্পেন।
আলজেরিয়ার হয়ে রফিক বেলঘালিও গোল করেন। গ্রুপে তৃতীয় হলেও সেরা তৃতীয় দলগুলোর একটি হিসেবে নকআউটে উঠেছে তারা। শেষ ৩২-এ তাদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড।
এই নাটকীয় ফলের সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয়েছে ইরানকে। অস্ট্রিয়া কিংবা আলজেরিয়া—যে কোনো একটি দল জিতলে সেরা তৃতীয় দল হিসেবে নকআউটে উঠত ইরান। কিন্তু কালাইদজিচের শেষ মুহূর্তের সমতাসূচক গোল সেই সম্ভাবনা শেষ করে দেয়। গ্রুপ 'জি'-তে তিনটি ড্র করে ৩ পয়েন্ট পেয়েছিল ইরান। বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড ও মিশরের বিপক্ষে সমতায় শেষ হয়েছিল তাদের ম্যাচ। শেষ পর্যন্ত সেরা তৃতীয় দল হিসেবে নকআউটে ওঠার আশা জিইয়ে ছিল, কিন্তু অবশেষে তারা বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে।