সুদখোরের বাড়ি থেকে নির্যাতিত অটোচালক উদ্ধার
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সুদের টাকা দাবি করে এক অটোরিকশাচালককে অপহরণ করে দুই দিন আটকে রেখে শেকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার পরও তাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। পুলিশ ও প্রশাসনের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় সুদের টাকা আদায়ের জন্য এক অটোরিকশাচালককে অপহরণ করে দুই দিন আটকে রেখে শিকলে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী মো. রিপন ভোলা জেলার মনপুরা এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে সুবর্ণচরের চরমজিদ ভূঁইয়ারহাট এলাকায় বসবাস করেন। অভিযুক্ত সুদখোর আবুল কাশেম ওরফে কেদা কাশেম একই এলাকার বাসিন্দা।
রিপন জানান, গত বছর অটোরিকশা কেনার জন্য তিনি কেদা কাশেমের কাছ থেকে সুদে এক লাখ টাকা ধার নেন। পরে তিনি সেই এক লাখ টাকা পরিশোধ করলেও আরও এক লাখ টাকা সুদ দাবি করা হয়। দুই দিন আগে আল আমিন বাজার এলাকা থেকে কেদা কাশেমের নেতৃত্বে ৭-৮ জন ব্যক্তি তাকে অপহরণ করে হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের একটি ঘরে আটকে রাখে। সেখানে দুই দিন অর্ধাহারে-অনাহারে রাখা হয়।
পরিবারের সদস্যরা অটোরিকশা বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা দিলেও তাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। উল্টো তাকে কেদা কাশেমের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পায়ে শেকল বেঁধে নির্যাতন করা হয়। রিপনকে খুঁজতে গিয়ে আরও দুই যুবকও আটক হন। পরে প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের সহযোগিতায় সবাইকে উদ্ধার করা হয়। চরজব্বার থানার পুলিশ ভুক্তভোগীকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছে।