কাঁঠালের বিচির অপার উপকারিতা! জানলে আর ফেলবেন না
মৌসুমি জাতীয় ফল কাঁঠাল এখন বাজারে সস্তায় পাওয়া যাচ্ছে। অনেকেই কাঁঠাল খেয়ে এর বিচি ফেলে দেন, কিন্তু জানলে অবাক হবেন যে এই বিচিতে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। তবে কাঁচা বিচি খাওয়া উচিত নয়, তা সেদ্ধ বা ভাজে খেতে হবে।
কাঁঠাল বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় মৌসুমি ফল। এই রসালো ফল এখন বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে এবং দামও বেশ সাশ্য। অনেকেই কাঁঠাল খেয়ে এর বিচিগুলো আলাদা করে ফেলে দেন, কিন্তু এই বিচি আসলে একটি পুষ্টিকর খাদ্য।
কাঁঠালের বিচিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং বিভিন্ন খনিজ পদার্থ। এতে আছে রিবোফ্ল্যাভিন ও থায়ামাইন, যা শরীরের জন্য উপকারী। এছাড়াও ভিটামিন বি, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, জিংক, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন ও কপার রয়েছে এই বিচিতে। এসব উপাদান চোখের দৃষ্টি, ত্বক ও চুল সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
তবে সতর্কতা হিসেবে মনে রাখবেন, কাঁঠালের কাঁচা বিচি কখনো খাবেন না। কাঁচা বিচিতে থাকা ট্যানিন ও ট্রিপসিন ইনহিবিটর শরীরের পুষ্টি শোষণে বাধা দেয় এবং হজমে সমস্যা তৈরি করে। তাই বিচি সেদ্ধ করে বা ভাজে খেলে এসব ক্ষতিকর উপাদান নষ্ট হয়ে যায়।
কাঁঠালের বিচি বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। শুকিয়ে ভর্তা করে খাওয়া যায়, ভাজি করেও খাওয়া যায়। সবজিতে কাঁঠালের বিচি যোগ করলে মুখরোচক খাবার তৈরি হয়। আগুনে পুড়িয়েও খেতে পারেন। বিচির গুঁড়ো দিয়ে স্মুদি বানানো যায়, হালুয়া বানিয়েও খাওয়া যায়। শুকিয়ে গুঁড়া করে রুটি, বিস্কুট ও পিঠায় ব্যবহার করা যায়।