সব সংবাদ
রাজনীতি

তুরাগ নদীতে লাশ ভাসার গুঞ্জন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলের অভিযোগ

তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাতজন নেতাকর্মীর লাশ ভাসছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনের মধ্যে সজীব ওয়াজেদ জয় ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। পুলিশ সদর দপ্তর এই খবরকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে।

রাজধানী ঢাকার তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাতজন নেতাকর্মীর লাশ ভাসছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনের মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় অভিযোগ করেছেন, 'তুরাগের ঘটনা' ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। চব্বিশের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর প্লট দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত জয়ের দাবি, একটি গোয়েন্দা সংস্থা এ ঘটনাকে অপমৃত্যু হিসেবে দেখানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি গোপন সূত্রের বরাত দিয়ে ফেইসবুকে শনিবার সন্ধ্যায় এ নিয়ে একটি পোস্ট দেন। পোস্টে জয় অভিযোগ করেন, তুরাগ নদীতে ফেলে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ডিজিএফআইয়ের একটি টিম তুরাগ থানায় অবস্থান করছে এবং যে তিনজন কর্মীর লাশ পাওয়া গেছে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে পরিবারকে দিয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা করানোর চেষ্টা চলছে। তবে নদীতে লাশ ভাসছে বা লাশ উদ্ধার বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার খবরকে পুলিশ সদরদপ্তর ভিত্তিহীন দাবি করেছে। সদরদপ্তরের বার্তায় বলা হয়েছে, তুরাগ নদীতে ভাসছে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীর লাশ এ ধরণের সংবাদ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি দাবি করে মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতেও সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে গত ২২ জুন রাজধানীর তুরাগ এলাকায় আওয়ামী লীগের মিছিলের পর থেকেই দলটির সাত নেতাকর্মী নিখোঁজ ছিলেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের তিনজনের লাশ তুরাগ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে গত শুক্রবার থেকে ফেইসবুকে ফের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এ প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা জয় আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে সেনাবাহিনী ও ডিজিএফআইয়ের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি সুরাহা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে এবং আগামীকাল নিহতদের পরিবারবর্গ দিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এ বিষয়ে তুরাগ থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তার থানায় কোনো সংস্থার বা বাহিনীর কোনো সদস্য আসেননি এবং দুই সপ্তাহ আগে এক আত্মহত্যার ঘটনা ছাড়া কারো কোনো মৃত্যুর খবর রেকর্ড হয়নি।