সব সংবাদ
শিক্ষা

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে জাতীয় বাজেট নিয়ে পোস্ট-বাজেট সিম্পোজিয়াম

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এর প্রভাব নিয়ে একটি পোস্ট-বাজেট সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ও অর্থনীতি বিভাগের যৌআয়োজনে এই অনুষ্ঠানে নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এর প্রভাব নিয়ে একটি পোস্ট-বাজেট সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিক্স-এর যৌথ আয়োজনে এই সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা হয়। এতে নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

সিম্পোজিয়ামে সভাপতিত্ব করেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফ নাফে আস সাবের। তিনি বলেন, শুধু অর্থ বরাদ্দ করলেই হবে না, সেই অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করার সক্ষমতাও থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, জনগণ, শিল্পখাত ও শিক্ষাঙ্গনের সমন্বয় ছাড়া কোনো বাজেটই প্রকৃত অর্থে সফল হতে পারে না।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আলোচক বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৭ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. ইফতিখার মোস্তফা বলেন, বাজেট কেবল সংখ্যার সমষ্টি নয়; এটি মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব এ কে এম সোহেল বলেন, আগের বছরের তুলনায় দেশে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রস্তাবিত বাজেটকে গত বছরের তুলনায় উন্নত উল্লেখ করে বলেন, এটি শিল্প ও রপ্তানি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কমিশনার ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ভারত ও পাকিস্তানে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জাতীয় বাজেট, অর্থনৈতিক নীতি, বিনিয়োগ, জ্বালানি উন্নয়ন এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার, শিল্প ও শিক্ষাঙ্গনের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।