সিয়েরা লিওনে শিশু বিয়ে: নিষেধাজ্ঞার দুই বছর পর প্রথম বিচার শুরু
সিয়েরা লিওনে শিশু বিয়ে নিষিদ্ধ হওয়ার দুই বছর পর প্রথমবারের মতো আসামিদের বিচার শুরু হয়েছে। ফ্রিটাউনের একটি আদালতে একজন ১৭ বছরের কিশোরীকে জোরপূর্বক বিয়ে করার অভিযোগে চারজন পুরুষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সিয়েরা লিওনে শিশু বিয়ে নিষিদ্ধ হওয়ার দুই বছর পর প্রথমবারের মতো আসামিদের বিচার শুরু হয়েছে। গত শুক্রবার রাজধানী ফ্রিটাউনের হাইকোর্টে একজন ১৭ বছরের কিশোরীকে জোরপূর্বক বিয়ে করার অভিযোগে চারজন পুরুষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এদের মধ্যে মেয়ের বাবা এবং তার কথিত স্বামী রয়েছেন। সকল আসামি দোষ স্বীকার করলেও, একজন আসামি মেয়ের মায়ের কাছ থেকে সম্মতি পাওয়ার দাবি করলে প্রসিকিউটর তার দোষ অস্বীকার হিসেবে পুনর্বর্গীকরণ করেন। দোষী সাব্যস্ত হলে আসামিদের কমপক্ষে ১৫ বছরের কারাদণ্ড বা প্রায় ৪ হাজার ডলার জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে। তাদের পরবর্তী শুনানি আগামী ২ জুলাইয়ের মধ্যে।
সিয়েরা লিওনের অ্যাটর্নি জেনারেল আলফা সেসে জানান, এটি প্রোহিবিশন অব চাইল্ড ম্যারেজ অ্যাক্ট ২০২৪ এর অধীনে প্রথম মামলা। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের আগে কাস্টমারি ম্যারেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী অভিভাবকরা অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ের সম্মতি দিতে পারতেন, কিন্তু এখন ১৮ বছরের কম বয়সীদের বিয়েতে যে কেউ অংশ নিলে গ্রেপ্তার করা যায়। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, সিয়েরা লিওনে ৩০% মেয়ে ১৮ বছর হওয়ার আগেই বিয়ে করে এবং গ্রামাঞ্চলে কিছু কন্যার বয়স মাত্র ১৪ বছর।