নোয়াখালীতে ছাত্রদল নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্রদলের এক নেতাকে গুলি করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। আহত শাহাদাত (২৩) বর্তমানে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়নের শ্রীপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাতে মো. শাহাদাত (২৩) নামে এক ছাত্রদল নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ঘটনাটি খিলপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর স্কুলের সামনে ঘটে। আহত শাহাদাত খিলপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী এবং ওই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে। পরিবারের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকজন ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থলে গুলি ছোড়ার কোনো প্রাথমিক আলামত পাওয়া যায়নি। আহত শাহাদাতের বড় ভাই ও যুবদল নেতা মো. হাবীব অভিযোগ করেন, তারা বিএনপির অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ৫ আগস্টের পর থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখি করে আসছিলেন। এর জেরে আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী তাদের হুমকি দিয়ে আসছিল। তার অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মফিজ ভূঞা ও রহিম হাজির ইন্ধনে কয়েকজন যুবলীগ কর্মী শাহাদাতের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে জাবেদ, মোরশেদ, মাসুম ও রিয়াদের নেতৃত্বে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে শাহাদাতের তলপেট ও উরুতে ছররা গুলি লাগে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মফিজ ভূঞা ও রহিম হাজী মুঠোফোনে বলেন, এটি তাদের দলীয় কোন্দলের বিষয়। এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য নেই। চাটখিল থানার ওসি আব্দুল মোন্নাফ বলেন, বিকালে এলাকার কিশোরদের মধ্যে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরে রাতে অভিভাবকরা দুই পক্ষ হয়ে পড়লে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তিনি আরও বলেন, শাহাদাতের পরিবার গুলিতে আহত হওয়ার অভিযোগ করেছে। তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ প্রাথমিকভাবে গুলি ছোড়ার কোনো আলামত পায়নি। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী সেখানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।