বকশীগঞ্জে চাচার বাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার
জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌর এলাকায় চাচার বাড়ি থেকে ১৯ বছরের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে টিএনটি রোডের ওই বাড়িতে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়।
জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌর এলাকায় চাচা ইসমাইল মিয়ার বাড়ি থেকে আপন মিয়া (১৯) নামে এক তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার টিএনটি রোডে এই দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। নিহত আপন মিয়া ওই এলাকার ফকির আলীর ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আপন মিয়ার চাচা ইসমাইল মিয়া সপরিবারে ঢাকায় থাকেন। তাঁর ওই বাড়িতে আপন মিয়া এবং তাঁর দাদা-দাদি বসবাস করতেন। গতকাল রাত ৯টার দিকে আপন মিয়ার দাদি রান্নাঘরে কাজ করতে যান। রান্না শেষে ঘরে ফিরে তিনি ভেতর থেকে দরজা বন্ধ দেখতে পান। এ সময় অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকারে পাশের ঘর থেকে আপন মিয়ার বাবা-মা ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। পরে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে আপন মিয়াকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা।
স্বজনেরা তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আপন মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর শোনার পর স্বজনেরা মরদেহ হাসপাতালেই রেখে চলে যান বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খবর পেয়ে বকশীগঞ্জ থানা-পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। স্থানীয়দের দাবি, নিহত আপন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন।
বকশীগঞ্জ থানার ওসি মকবুল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে। সুরতহাল শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এই ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।