সব সংবাদ
জাতীয়

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার রাশিদুল ইসলাম খানকে প্রত্যাহার

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একটি কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে তিনি বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন যে, তথ্য ফাঁসকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের জনগণের সামনে গাছে ঝুলিয়ে মারা হবে। এই মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ বাহিনীর ভেতরে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়। বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানালে চাপে পড়ে সরকার ও পুলিশ প্রশাসন, যার জেরে শেষ পর্যন্ত তাকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রত্যাহার করা হলো।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স ও ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি একটি কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন যার জেরে পদ হারালেন।

সম্প্রতি খুলনায় একটি কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে যোগ দেন রাশেদুল ইসলাম খান। সেখানে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ও পরিদর্শকদের বিরুদ্ধে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ তোলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্ষুব্ধ জনতার হাততালি ও উত্তেজনার মুখে এই পুলিশ কর্মকর্তা ঘোষণা দেন, তথ্য ফাঁসকারী কর্মকর্তাদের জনগণের সামনে গাছে ঝুলিয়ে মারা হবে।

এই মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ বাহিনীর ভেতরে তীব্র অসন্তোষ ও টানাপোড়েন তৈরি হয়। এর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেয়। সংগঠনের সভাপতি কামরুল হাসান তালুকদার এবং সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক ডাবলু স্বাক্ষরিত ওই প্রতিবাদলিপির পর তীব্র চাপে পড়ে সরকার ও পুলিশ প্রশাসন।

শনিবার (২০ জুন) আইজিপি আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে কেএমপি থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। পুলিশ সদর দপ্তরের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট শাখা থেকে জারি করা এই আদেশে তাকে অবিলম্বে দায়িত্ব হস্তান্তর করে ঢাকায় রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়।