সংসদে উত্তাল আলোচনা: মোবাইল ডাটার অতিরিক্ত টাকা কোথায় যায়?
জাতীয় সংসদে মোবাইল ইন্টারনেটের অব্যবহৃত ডাটা মেয়াদ শেষে কেটে নেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। একই সঙ্গে বিমানের টিকিটের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।
২৫ জুন ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের ১৫তম দিনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক মোবাইল ইন্টারনেটের অব্যবহৃত ডাটা মেয়াদ শেষে কেটে নেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকারের কাছে চারটি টেলিফোন কোম্পানির পাওনা ১৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি ও টেলিটকের কাছে এই বিশাল অঙ্কের রাজস্ব পাওনা রয়েছে।
সাধারণ মানুষ এক মাসের জন্য ১০০০ টাকার ইন্টারনেট কিনলেও মাস শেষে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার ডাটা অব্যবহৃত থেকে যায়। মেয়াদ শেষ হলে সেই টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোম্পানিগুলোর পকেটে চলে যায়, যা জনগণের সঙ্গে এক ধরনের অন্যায় বলে মনে করেন তিনি।
একই সঙ্গে বিমানের টিকিটের দাম নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, সপ্তাহের শেষ দিকে যাতায়াতকারীদের পকেট কাটা হচ্ছে। অন্যান্য দিন ২৮০০ থেকে ৩০০০ টাকার টিকিট বৃহস্পতিবার বা শুক্রবার ১০ হাজার টাকায় পৌঁছে যাচ্ছে।
বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, বিমানের টিকিটের ওপর যে জুলুম চলছে, তা আগেও নোটিশ দিয়েছিলাম কিন্তু কোনো সমাধান হয়নি। এই জুলুম বন্ধ হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, শুধু টেলিফোন কোম্পানি নয়, সাবেক অনেক সংসদ সদস্যের কাছেও টেলিফোন বিল ও বাড়ি ভাড়া বাবদ অনেক টাকা পাওনা রয়েছে।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর জন্য যথাযথ বিধি মেনে নোটিশ দিলে সংসদে এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ দেওয়া হবে।