সব সংবাদ
অর্থনীতি

ডিএসই থেকে চার উপ-মহাব্যবস্থাপকসহ আটজন বরখাস্ত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) জনবল পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে চারজন উপ-মহাব্যবস্থাপকসহ মোট আটজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করেছে। চাকরিচ্যুতদের একজন অভিযোগ করেছেন যে কোনো কারণ উল্লেখ ছাড়াই তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে এবং এভাবে হুট করে ডেকে নিয়ে চাকরিচ্যুত করার নজির ডিএসই-এর ইতিহাসে নেই।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সম্প্রতি চারজন উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সহ মোট আটজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করেছে। চাকরিচ্যুত চার ডিজিএম হলেন জেনারেল অ্যাডমিন বিভাগের মো. আব্দুল লতিফ ও হোসনে আরা পারভীন, আইসিটি বিভাগের শাহিন সারওয়ার এবং ইনভেস্টর প্রটেকশন ফান্ডের সমন্বয়ক আব্দুর রাজ্জাক। এছাড়া দুজন সিনিয়র ম্যানেজার এবং দুজন কর্মচারীকেও চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।n

চাকরিচ্যুত এক ডিজিএমকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, জনবল পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং তার পদটির এখন আর প্রয়োজন নেই। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাপ্য সব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত দুই মাসের সমপরিমাণ বেতন দেওয়া হবে।n

তবে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্দ। একজন চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা বলেন, তাকে ডেকে নিয়ে চিঠি ধরিয়ে বলা হয়েছে তার চাকরি নেই এবং এভাবে হুট করে ডেকে নিয়ে চাকরিচ্যুত করার নজির ডিএসই-এর ইতিহাসে নেই।n

অন্যজন মো. আব্দুল লতিফ বলেন, চিঠিতে তাকে চাকরিচ্যুত করার কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তিনি বলেন, তিনি যখন ডিএসইতে যোগ দিয়েছিলেন, তখন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদে ছিলেন এবং এত বছর কাজ করার পর এটাই ফিডব্যাক হলে বলার কিছু নেই।n

ডিএসই কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তকে জনবল পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করলেও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত কোনো ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং প্রতিষ্ঠানকে আরও দক্ষ ও কার্যকর করতে দীর্ঘমেয়াদি রিসোর্স অপটিমাইজেশন পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।n

তবে এই প্রক্রিয়া এখানেই শেষ নয়। আরও কয়েকজন কর্মকর্তাকে পর্যায়ক্রমে চাকরিচ্যুত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে বর্তমানে ডিএসই-এর ভেতরে চাকরি হারানোর আশঙ্কা নিয়ে এক ধরনের অস্থিরতা ও ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।