সব সংবাদ
ফেনী

দাগনভূঞায় সপরিবারে বাড়ি ছাড়া করার দুই বছর পর ছাত্রদল নেতার মামলা

দাগনভূঞার ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের পশ্চিম চন্ডিপুর এলাকায় প্রায় দুই বছর আগে সপরিবারে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হওয়ার ঘটনায় ছাত্রদল নেতা আবদুর রহমান মেহেদী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর পৈত্রিক বসতভিটায় ঘর করতে চাইলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করা হয়, অমান্য করলে মারধর করে বের করে দেওয়া হয়।

দাগনভূঞা উপজেলার ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের পশ্চিম চন্ডিপুর এলাকায় সপরিবারে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হওয়ার প্রায় দুই বছর পর মামলা দায়ের করেছেন ছাত্রদল নেতা আবদুর রহমান মেহেদী (মেহেদী হাসান)। রবিবার ৮ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী দেখিয়ে দাগনভূঞা থানায় এই মামলা দায়ের করা হয়। এজাহারে মেহেদী উল্লেখ করেন, পশ্চিম চন্ডিপুর এলাকার সিরাজ উল্যাহর সাথে জমি-জমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও মামলা চলমান রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর পৈত্রিক বসতভিটায় ঘর করতে চাইলে তারা ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। তাদের দাবীকৃত চাঁদা দিতে অপারগতা জানালে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। তখন বাক-বিতন্ডার সময় পরিবারের নারী সদস্যদের শ্লীলতাহানী করে। সেদিন পকেটে থাকা নগদ ১২ হাজার ৪শ টাকা ও গলায় থাকা ৩০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে কখনো বাড়িতে যেতে চাইলে খুন করে লাশ গুম করার হুমকি দেয়। মেহেদীর অভিযোগ, প্রতিপক্ষের মারধর এবং হুমকির কারণে পৈত্রিক বাড়িতে থাকা সম্ভব হয়নি। বাড়িতে থাকার জন্য একাধিকবার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা কোনো প্রকার সহযোগীতা করেনি। এ ঘটনায় সিরাজ উল্যাহ ছাড়াও তার স্ত্রী নারগিস আক্তার, ডা. শরিয়ত উল্যাহর ছেলে হুমায়ুন কবির, আবুল কাশেমের ছেলে সাইফুল ইসলাম, জামাল হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন মিন্টু, মো. ইদ্রিছ ভূঞা সুরুজের ছেলে ইব্রাহিম ভূঞা শরীফ, ওবায়দুল হকের ছেলে বাবুল মিয়া, আলাউদ্দিনের ছেলে আনোয়ারা হোসেন রোজেনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। দাগনভূঞা থানার ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজিম নোমান মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ৩ জুন স্থানীয় দৈনিক ফেনীর সময়ে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে তোলপাড় শুরু হয়। সংবাদটি নজরে এলে গত ৭ জুন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু তাকে ডেকে নিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।