২০০ কোটি টাকার অর্থ পাচার মামলা: জ্যাকুলিনের আবেদন প্রত্যাহার
বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ ২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার মামলায় সুপ্রিম কোর্টে তার বিশেষ অনুমতি আবেদন প্রত্যাহারের অনুমতি পেয়েছেন। এই মামলায় তিনি নির্দোষ দাবি করে আদালতে মেধার ভিত্তিতে মামলা লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজকে সুপ্রিম কোর্টে তার ‘স্পেশাল লিভ পিটিশন’ বা বিশেষ অনুমতি আবেদন প্রত্যাহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) অভিযোগপত্র খারিজ এবং ট্রায়াল কোর্ট কর্তৃক অভিযোগ গঠনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে তিনি এই আবেদনটি করেছিলেন। কথিত প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে যুক্ত এই মামলায় ২৫ জুন সুপ্রিম কোর্ট আবেদনটি প্রত্যাহারের অনুমতি প্রদান করেন। বিচারপতি বি.ভি. নাগারথ্না এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই প্রত্যাহারের অনুমতি দেন। এর আগে জ্যাকুলিন দিল্লি হাইকোর্টের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন, যেখানে হাইকোর্ট ইডির অভিযোগপত্র বাতিল করতে অস্বীকার করেছিল। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে এই বলিউড অভিনেত্রী দিল্লির একটি ট্রায়াল কোর্টের সামনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন এবং বিচার ফেস করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। গত ৩ জুন পাতিয়ালা হাউস কোর্টে হাজির হয়ে জ্যাকুলিন ‘প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’-এর অধীনে তার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং মেধার ভিত্তিতে মামলা লড়ার সিদ্ধান্ত নেন। আদালত এই মামলায় সুকেশ চন্দ্রশেখর, তার স্ত্রী লীনা মারিয়া পল এবং আরও ১৪ জনের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ গঠন করেছে। তারা সবাই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বিচার চেয়েছেন। আগামী ১৬ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে ট্রায়াল কোর্ট। ইডির দাবি, জ্যাকুলিন সুকেশের কাছ থেকে প্রায় ৭ কোটি টাকার বিলাসবহুল উপহার নিয়েছেন। তবে জ্যাকুলিন বরাবরই দাবি করে এসেছেন, সুকেশের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা উপহারের জন্য ব্যবহৃত অর্থের উৎস সম্পর্কে তার কোনো ধারণা ছিল না।