সব সংবাদ
অর্থনীতি

বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ চেয়ে চীনা ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিংয়ে আয়োজিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরামে চীনা ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেছেন, বাংলাদেশ এখন ব্যবসার জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত। তিনি চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে তাদের ভ্যালু চেইন সম্প্রসারণের আহ্বান জানান এবং ১৮০ দিনের যুগান্তকারী কর্মপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন।

২৫ জুন ২০২৬ তারিখে বেইজিংয়ের ঐতিহ্যবাহী দিয়াওইউতাই হোটেলে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে চীনের ১২৫ জন শীর্ষস্থানীয় শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে চীনের সঙ্গে আরো গভীর ও সুদৃঢ় শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি আরো ঘোষণা করেন, আন্তর্জাতিক পুঁজি ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত কার্যপ্রণালী সম্পূর্ণ ঢেলে সাজাতে বর্তমান সরকার একটি যুগান্তকারী ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এই মহাপরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পুরোপুরি দূর করা, সরকারি সব সেবা ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা, দীর্ঘমেয়াদি নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা এবং একটি শতভাগ নিরাপদ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা।

প্রধানমন্ত্রী আরো জানান, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল এবং মোংলায় দ্বিতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি চীনা বিনিয়োগকারীদের আরো দ্রুত, কার্যকর ও ডেডিকেটেড সেবা প্রদানের লক্ষ্যে শিগগিরই চীনে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ কার্যালয় চালু করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বাংলাদেশে বিনিয়োগের অপার সুযোগ-সুবিধা ও সম্ভাবনার ওপর একটি বিশেষ প্রেজেন্টেশন তুলে ধরেন। এ সময় বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, শিক্ষা ও প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।