ছাগলনাইয়ায় তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত
ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় গত এক মাস ধরে তীব্র লোডশেডিং চলছে। দৈনিক ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। ৩০-৩২ ডিগ্রি তাপমাত্রার কারণে পানি সংকটও দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থী, কৃষি, পোল্ট্রি ও মৎস্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চাহিদা ১৮-১৯ মেগাওয়াট হলেও মাত্র ৮-৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছেন। এলাকাবাসী ফেনী-১ আসনের এমপির হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
ছাগলনাইয়া উপজেলায় গত এক মাস ধরে তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রায় প্রতিদিন এক-তৃতীয়াংশ হারে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। গরম বেশি হলে চাহিদা বেড়ে যায় এবং লোডশেডিং আরও তীব্র হয়। দুপুর ও গভীর রাতে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।
গত কয়েক দিনে তাপমাত্রা ৩০-৩২ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছেছে। এ কারণে বাসাবাড়িতে পানি সংকটও দেখা দিয়েছে। ৫নং মহামায়া ইউনিয়নের বাসিন্দা জসিম উদ্দিন জানান, গত শুক্রবার ছুটির দিনেও ৫ ঘণ্টা লোডশেডিং ছিল। শনিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত চার বারে চার ঘণ্টা লোডশেডিং হয়েছে। গত ৬ দিনের বেশি সময় ধরে প্রতিদিন ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। এতে ছাত্র-ছাত্রীরা ক্ষতির মুখে পড়ছে।
পাঠান নগর ইউনিয়নের কৃষক আলমাস বলেন, তাদের গ্রামে ১০ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ থাকে না। বেশিরভাগ এলাকায় একই অবস্থা। মাঝেমধ্যে বিদ্যুৎ আসে, আধাঘণ্টা থাকার পর আবার চলে যায়।
ছাগলনাইয়া পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম বলাই মিত্র জানান, তারা চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না। ছাগলনাইয়া উপজেলায় বিদ্যুতের দৈনিক চাহিদা ১৮ থেকে ১৯ মেগাওয়াট, কিন্তু তারা মাত্র ৮ থেকে ৯ মেগাওয়াট পাচ্ছেন। এই স্বল্প বিদ্যুৎ দিয়েই পুরো উপজেলা সামলাতে হচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু উদ্বোগ ও কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করে এই সমস্যা সমাধান করবেন।