সব সংবাদ
আন্তর্জাতিক

তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার অহেতুক মাতামাতি প্রয়োজন নেই: চীনের সরকারি মিডিয়া

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ায় যে আলোচনা চলছে, তার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছে চীনের সরকারি গ্লোবাল টাইমস। সম্পাদকীয় নিবন্ধে বলা হয়েছে, অন্যান্য প্রতিবেশী দেশের নেতারাও সম্প্রতি চীন সফর করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে গেছেন। তার এ সফর নিয়ে ভারতীয় মিডিয়াগুলোতে বেশ আলোচনা হচ্ছে। তবে তারেক রহমানের সফর নিয়ে ভারতে এত মাতামাতির প্রয়োজন নেই উল্লেখ করে একটি সম্পাদকীয় নিবন্ধ প্রকাশ করেছে চীনের সরকারি মিডিয়া গ্লোবাল টাইমস।

গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছে, তারেক রহমান কেন তার প্রথম সরকারি সফরে ভারতে গেলেন না, সেটি নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া সরগরম। কিন্তু এমনটি হওয়া উচিত নয়। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে চীন সফর করেছেন মিয়ানমার, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান ও ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপ্রধানরা। তারেক রহমানের সফরও এটির অংশ।

এছাড়া চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক, ভারত-চীনের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলা হয়েছে নিবন্ধে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, তারেক রহমান ভারত না গিয়ে চীনে গিয়ে ভারতকে উপেক্ষা করেছেন— কিছু ভারতীয়ের এমন মন্তব্য তাদের দাদাগিরি বা বড় ভাইসুলভ আচরণ প্রকাশ করে।

নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে, বিশ্বের অনেক দেশ চীনের উন্নয়ন সহযোগিতাকে কাজে লাগাতে চায়। বাংলাদেশও একই পথে হাঁটছে। তাই তারেক রহমান চীন সফর করছেন। এছাড়া তার এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের গুরুত্ব ফুটে উঠেছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

চীন সবসময় একটি উন্মুক্ত আঞ্চলিক সহযোগিতার নীতিতে বিশ্বাসী। চীন-ভারত অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতা, বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর কিংবা চীন-বাংলাদেশ কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব হোক— এইসব ব্যবস্থার কোনোটিই কোনো তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয়। এগুলো এই অঞ্চলের সবার জন্য উন্মুক্ত ও পারস্পরিক সুবিধাজনক বহুপাক্ষিক সহযোগিতা হিসেবে মনে করে বেইজিং।

আজকের দিনে নিজেদের উন্নয়নের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার একটি ধারা পরিলক্ষিত হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মূল অগ্রাধিকার হলো—মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ শক্তিশালী করা। চীন সবসময় 'শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচ নীতি' এবং 'দেশ বড় হোক বা ছোট, সবাই সমান'—এই নীতিতে বিশ্বাসী। যা দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের মঙ্গলের জন্য সহযোগী হবে।