সব সংবাদ
খেলা

ব্রাজিল-স্কটল্যান্ড: বিশ্বকাপে ইতিহাসের আলোড়ন তৈরি করবে গ্রুপ ফাইনাল

২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ড। হেড টু হেড পরিসংখ্যানে একচ্ছত্র আধিপত্য ব্রাজিলের। তবে একই গ্রুপে পড়লেই ব্রাজিলের শিরোপা জয়ের রেকর্ড নেই।

২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মঞ্চে উঠছে ব্রাজিল-স্কটল্যান্ডের ঐতিহাসিক লড়াই। ফ্লোরিডার মায়ামির হার্ডরক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এই ম্যাচটি দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। ব্রাজিল চাইবে গ্রুপসেরা হয়ে নকআউট পর্বে যেতে, অন্যদিকে স্কটল্যান্ডের লক্ষ্য থাকবে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব পেরোনো।

দুই ম্যাচ শেষে 'সি' গ্রুপের পরিস্থিতি বেশ উত্তেপূর্ণ। মরক্কো ও ব্রাজিলের সমান ৪ পয়েন্ট, তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে আছে সেলেসাওরা। স্কটল্যান্ডের ঝুলিতে আছে ৩ পয়েন্ট। হাইতি ইতিমধ্যেই গ্রুপ থেকে বিদায় নিয়েছে।

মুখোমুখি লড়াইয়ে ইতিহাস সম্পূর্ণ ব্রাজিলের অনুকূলে। দুই দল এখন পর্যন্ত ১০ বার মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে ৮ ম্যাচে জয় পেয়েছে ব্রাজিল, বাকি দুটি ড্র হয়েছে। স্কটল্যান্ডের জয়ের খাতা এখনো শূন্য।

বিশ্বকাপের মঞ্চেও ব্রাজিলের আধিপত্য স্পষ্ট। এবারের আগে চারবার দেখা হয়েছে দুই দলের। ১৯৭৪ বিশ্বকাপে গোলশূন্য ড্র হলেও পরের তিনবারই জয় পেয়েছে ব্রাজিল। ১৯৮২ সালে ৪-১, ১৯৯০ সালে ১-০ এবং ১৯৯৮ সালে ২-১ ব্যবধানে স্কটিশদের হারিয়েছিল সেলেসাওরা।

তবে একটি চিন্তার বিষয় আছে ব্রাজিলের জন্য। স্কটল্যান্ডের সঙ্গে একই গ্রুপে পড়া চার বিশ্বকাপের কোনোটিতেই শিরোপা জিততে পারেনি ব্রাজিল। ১৯৮২ সালে দুর্দান্ত দল নিয়েও বিদায় নিতে হয়েছিল মাঝপথে। ১৯৯০ ও ১৯৯৮ সালেও ট্রফি ছোঁয়া হয়নি, যদিও ১৯৯৮ সালে ফাইনালে উঠেছিল তারা।

গোল পরিসংখ্যানে ব্রাজিল এগিয়ে। ১০ ম্যাচে ব্রাজিল করেছে ১৬ গোল, বিপরীতে স্কটল্যান্ডের গোল মাত্র ৩টি। সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় যৌথভাবে আছেন নেইমার ও জিকো, দুজনেরই গোল দুটি করে।

দুই দলের সবশেষ দেখা হয়েছিল ২০১১ সালে। লন্ডনের এমিরেটস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচে নেইমারের জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল ব্রাজিল।