প্রতিষ্ঠানে নকল পাওয়া গেলে প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সতর্ক করেছেন, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নকল পাওয়া গেলে সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে। ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষার অ্যাক্ট সংশোধন করা হয়েছে এবং কেবিনেটে তা পাস হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বুধবার আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঢাকা, ময়মনসিংহ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন। তিনি জানান, নকলের ধরন এখন বদলেছে, করোনার মতোই এর রূপ চেঞ্জ হয়েছে। এ কারণে ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষার অ্যাক্ট সংশোধন করা হয়েছে, যা কেবিনেটে পাস হয়েছে এবং এখন সংসদে পাসের অপেক্ষায় রয়েছে। মন্ত্রী বলেন, যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে নকল পাওয়া যায় এবং এসএসসি পরীক্ষার্থীর বয়স ১৬ বছর হয়, তাহলে ওই অল্পবয়সী ছাত্রকে শাস্তি দেওয়া সম্ভব নয়, কিন্তু প্রতিষ্ঠান প্রধান দায়ী থাকবেন এবং তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, রমজান বিবেচনায় অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে এ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। জুন মাসে এসএসসির কোর্স শেষ হবে এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য ইনহাউস কোচিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে। এছাড়া শিক্ষকদের সম্মানী নির্ধারণে স্থানীয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, গত কয়েক বছর এসএসসি পরীক্ষার ফল ভালো হলেও ২০২৫ সালে পাসের হার ৬০ শতাংশের নিচে নেমে গেছে, যা উদ্বেগের বিষয়। ২০২২ সালের পর থেকে যেসব শিক্ষক অবসর ভাতা পাননি, তাদের জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে ভাতা চালুর কথাও জানানো হয়েছে।