চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কে ১৪টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে কাজ শুরু, চার লেনের দাবি অব্যাহত
চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে সবচেয়ে বিপজ্জনক ১৪টি পয়েন্টে সড়ক প্রশস্তকরণ ও ডিভাইডার নির্মাণের কাজ শুরু করেছে সওজ বিভাগ। ৩.৩৫ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্ত করা হচ্ছে। তবে স্থানীয়রা পুরো সড়ক চার লেনে উন্নীত করার দাবি জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করার দীর্ঘদিনের দাবি থাকলেও আপাতত সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি পয়েন্টে প্রশস্তকরণ ও ডিভাইডার নির্মাণের কাজ শুরু করেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। আংশিক এই উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও পুরো সড়ক চার লেন না হওয়ায় অসন্তোষ রয়েছে।
সওজ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই মহাসড়কে একের পর এক সড়ক দুর্ঘটনার পর হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড থেকে ফটিকছড়ির পাইন্দং পর্যন্ত সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৪টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় মোট ৩ হাজার৩৫০ মিটার (৩.৩৫ কিলোমিটার) সড়ক প্রশস্ত করা হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সড়কের দুই পাশে ১১ ফুট করে মোট ২২ ফুট প্রশস্ত করা হবে এবং দুর্ঘটনা হ্রাসে এসব স্থানে স্থায়ী রোড ডিভাইডার স্থাপন করা হবে।
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শুধু ১৪টি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে কাজ করে পুরো সড়ক নিরাপদ করা সম্ভব নয়। হাটহাজারী থেকে ফটিকছড়ি পর্যন্ত পুরো সড়ক চার লেনে উন্নীত করে স্থায়ী ডিভাইডার নির্মাণ করা জরুরি।
নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে স্থানীয় বিএনপি নেতা নাছির উদ্দিন চৌধুরী ও যুবদল নেতা মোজাহারুল ইকবাল লাভলু বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলনের ফলেই এই আংশিক কাজ শুরু হয়েছে। তবে জনস্বার্থে দ্রুত পুরো সড়ক চার লেনে উন্নীত করার দাবি জানান তাঁরা।
সওজ চট্টগ্রাম উত্তর উপ-বিভাগের প্রকৌশলী মোসলেহ উদ্দিন বলেন, মহাসড়কের ১৪টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে ৩.৩৫ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ ও ডিভাইডার নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। সড়কের উভয় পাশে ১১ ফুট করে মোট ২২ ফুট প্রশস্ত করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে পুরো সড়ক উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর বলেন, এই সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। আংশিক উন্নয়ন হলেও মূল লক্ষ্য পুরো সড়ক চার লেনে উন্নীত করা এবং স্থায়ী ডিভাইডার স্থাপন করা। সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।