কঙ্গোর গোলকিপারকে ফাঁকি দিয়ে ৭৬তম মিনিটে মুনিয়সের গোলে নকআউটে কলম্বিয়া
বিশ্বকাপের ‘কে’ গ্রুপের ম্যাচে ডিআর কঙ্গোকে ১-০ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বে পা রাখল কলম্বিয়া। গুয়াদালাহারায় ৭৬তম মিনিটে দারউইন মুনিয়সের গোলই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসি দুর্দান্ত পারফর্ম করলেও শেষ পর্যন্ত গোল হজম করতে হয়।
বিশ্বকাপের ‘কে’ গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিরুদ্ধে মাঠে নামে কলম্বিয়া। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা শুরু করে কলম্বিয়া। প্রথম ২০ মিনিটেই গোলে ৫টি শট নেয় তারা, যা এবারের আসরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসি দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। একের পর এক সম্ভাব্য গোল বাঁচিয়ে দেন তিনি।
প্রথমার্ধে কলম্বিয়া ৯ জন ফুটবলার গোলে শট নেয়, যার মধ্যে ৬টি ছিল লক্ষ্যে। কিন্তু এমপাসি সবগুলোই আটকে দেন। একমাত্র গোলরক্ষক কামিলো ভার্গাস ও মিডফিল্ডার জেফেরসন লের্মা ছাড়া বাকি সবাই আক্রমণে যোগ দেন।
দ্বিতীয়ার্ধে কলম্বিয়া আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। ৫৯তম মিনিটে হামেস রদ্রিগেস ও লুইস সুয়ারেসকে তুলে নেয় দলটি। কিন্তু গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ৭৬তম মিনিট পর্যন্ত।
বদলি নামা হুয়ান কিনতেরো বক্সের বাইরে থেকে বল বক্সে ঠেলেন। সেখানে জন কর্দোভা এক ডিফেন্ডারকে ব্লক করে রাখেন। ফাঁকায় থাকা দারউইন মুনিয়সের শট গোলকিপার এমপাসিকে বিভ্রান্ত করে কাছের পোস্ট দিয়ে জালে ঢুকে যায়। এটাই ম্যাচের একমাত্র গোল।
গোল করার পর দুই মিনিটের মধ্যে লুইস দিয়াস দুবার বল জালে পাঠানোর সুযোগ পান। প্রথমটিতে গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে চমৎকার চিপ করেন, কিন্তু আগুয়ান গোলকিপারকে ফাউল করায় গোল বাতিল হয়। দ্বিতীয়টিতে ডান পায়ের জোরাল শটে বল জালে জড়ান, কিন্তু এবার অফসাইডের কারণে গোল হয়নি।
শেষ মুহূর্তে নাথানেল এমবুকুর শট ঝাঁপিয়ে পড়ে রক্ষা করেন ভার্গাস। কর্নারেও দলকে বিপদমুক্ত করেন তিনি।
এই জয়ের ফলে কলম্বিয়া নকআউট পর্বে পা রাখল। আগের ম্যাচেও উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম গোলটি করেছিলেন মুনিয়স। গ্রুপের শেষ রাউন্ডে কলম্বিয়া ও পর্তুগালের মধ্যে গ্রুপের শীর্ষস্থান নির্ধারণ হবে।