তারেক রহমানের নেতৃত্বে তিস্তা পাড়ে স্বপ্ন পূরণের পথে বাংলাদেশ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে চীনের সহযোগিতায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলার মানুষের ৫০ বছরের স্বপ্ন পূরণে চীনের কাছে ৫৫ কোটি ডলার ঋণ চাওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তিস্তা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলার মানুষের দীর্ঘ ৫০ বছরের স্বপ্ন পূরণে এবার চীনের কাছে ঋণ চাওয়া হয়েছে। চীন ইতোমধ্যে সমীক্ষা প্রায় শেষ করেছে। শিগগিরই একনেক সভায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্প পাশ হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। ২৩ থেকে ২৫ জুন দালিয়ানে অনুষ্ঠেয় ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন তিনি। এই সফরে ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিস্তা প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ব্যয় হবে ৭৫ কোটি ডলার। এর মধ্যে চীনের কাছ থেকে ঋণ চাওয়া হয়েছে ৫৫ কোটি ডলার বা ৬ হাজার ৭১০ কোটি টাকা। বাকি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ১০৮ কিলোমিটার নদী খনন, ১৪ হাজার কোটি টাকার জমি উদ্ধার, ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার সম্পদ রক্ষা এবং বছরে ২০ হাজার কোটি টাকার ফসল উৎপাদন হবে। এতে ৮৬ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
বাংলাদেশ অংশে তিস্তা নদীর দৈর্ঘ্য ১১৫ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৪৫ কিলোমিটার ভাঙনপ্রবণ এবং প্রায় ২০ কিলোমিটারের পরিস্থিতি ভয়াবহ। নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও গাইবান্ধা এই ৫ জেলার মানুষ এই প্রকল্পের সুফল পাবেন।
এদিকে, রংপুরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধন থেকে দ্রুত একনেক সভায় প্রকল্প পাশ ও কাজ শুরুর দাবি জানানো হয়েছে।